৩০ সেকেন্ড এ মাথা ব্যাথা দূর করুন!

আমাদের অনেকেরই প্রায়ই
মাথাব্যথা হয়। অনেকেই আবার নানা
করণে টেনশনে থাকি। এই খারাপ
লাগার অনুভূতিগুলো সত্যিই খুব
যন্ত্রণা দেয় আমাদের।
ওষুধ খেলে এগুলো থেকে মুক্তি
পাওয়া যায়, কিন্তু সেজন্য অনেক সময়
লাগে। যদি এমন হয় মাত্র ৩০
সেকেন্ডে এই দুঃসহ যন্ত্রণা থেকে
মুক্তি পাওয়া যায়, তাও আবার
কোনো ওষুধ ছাড়াই।
অসম্ভব মনে হচ্ছে?
একদমই না।এটা সম্ভব।
আমরা অনেকেই জানি,ব্যথা
ওরোগ নিরাময় করার
জন্য ব্যবহৃত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
হচ্ছে
আকুথেরাপি। মানবদেহের রোগ
নির্ণয়, রোগ নিরাময় এবং রোগ
প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজন
আকুথেরাপি। শরীরে সুচের মতো
চাপ প্রয়োগ করে আকুথেরাপি
দেওয়া হয়।
কিন্তু ভয় পাবেন না, আপনার
মাথাব্যথা আর টেনশন থেকে মুক্তি
পেতে মাথায় সুই ফোটাতে হবে না।
মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাম হাতের
পয়েন্টে ডান হাতের আঙ্গুল
দিয়ে চাপ দিয়ে ধরে রাখুন।আর
মুহূর্তেই অনুভব করুন মাথাব্যথা
কোথায় পালিয়েছে, আর দুশ্চিন্তাও
উধাও!

0 comments:

মুক্তি পেতে ঘাড়ের ব্যাথা থেকে

১. সোজা চিত হয়ে ঘুমানো সোজা চিত হয়ে ঘুমানো হচ্ছে সবচেয়ে ভালো উপায় মেরুদন্ড কে আরামদায়কভাবে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য। যদি আপনি একপাশ হয়ে ঘুমাতে পছন্দ করেন তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে আপনার ঘুমানোর বালিশটি ৪-৬ ইঞ্চির বেশী মোটা না হয়। এই ক্ষেত্রে আপনি ঘুমের মধ্যে এপাশ ওপাশ করলেও আপনার ঘাড়ে আঘাত পাওয়া থেকে সুরক্ষা দিবে।
২. কম্পিউটার স্ক্রিন কে আপনার আই লেভেলে গঠন করুন খুব আরাম করে যখন আপনার অফিসের চেয়ারে বসেন এবং চোখ বন্ধ করুন।
এইবার চোখ খুলে কি আপনি আপনার
কম্পিউটার স্ক্রিনের মধ্য বরাবর
সরাসরি দেখছেন? না দেখলে
কম্পিউটার স্ক্রিন কে আপনার আই
লেভেল বরাবরা প্রতিস্থাপন করুন।
কখনোই একটানা ঘাড় নিচু করে
কম্পিউটারে কাজ করবেন না। কাজ
করার প্রতি ৩০মিনিট পর পর একটু রেষ্ট
নিন অথবা একটু এদিক ঐদিক হাটা
চলা করে আসুন। একটানা কম্পিউটারে
কাজ করবেন না।
৩. টেলিফোন হেডসেট ব্যাবহার করুন
কখনোই ফোনে কথা বলার সময় কান
এবং কাঁধের মাঝখানে ফোন রেখে
কথা বলবেন না। একটি হ্যান্ডস ফ্রি
ডিভাইস সবচেয়ে ভালো উপায়
যাতে আপনি ফোনে কথা বলার সময়
ঘাড়কে বাঁকা করতে না হয়।
৪. ঘাড়ের মাসলের ব্যায়াম করুন নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়ামের
মাধ্যমেও আপনি আপনার ঘাড়ের
ব্যাথা হওয়া থেকে মুক্তি পেতে
পারেন। একটি সহজ ঘাড়ের ব্যায়াম
রয়েছে যা আপনি নিমিষেই করতে
পারেন। যেমন মাথাকে খুব ধীরে
সুস্থ্যে উঠা নামা করুন এবং দুই কাধে
এই পাশ ও পাশ করুন এতে আপনার
ঘাড়ে মাসল অনেক শক্তিশালী হবে
যা আপনাকে ঘাড়ের ব্যাথা হওয়া
থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে।
৫. হাইড্রেটেড থাকুন মেরুদন্ডের মধ্যে কশেরুকার মাঝখানে যে ডিস্ক গুলো রয়েছে তা অধিকাংশই পানি দিয়ে তৈরি।প্রতিদিন ঘন ঘন চুমুক দিয়ে পানি পান করুন এতে আপনাকে যেমন
হাইড্রেটেড রাখবে তেমনি ডিস্ক
গুলো অনেক নমনীয় এবং স্বাস্থ্যবান
থাকবে। প্রতিদিন কমপক্ষে বড়
মাফের ৮গ্লাস পানি পান করুন।
৬. ভারোত্তলনে সচেতন হোন সাধারণত আমরা অনেক সময় এই ভুলটি করে থাকি তা হচ্ছে অতিরিক্ত
ওজনের ব্রিফকেস বা ব্যাগ এক পাশ
করে উঠানোর চেষ্টা করি এতে করে
আমাদের কাধ অপ্রস্তুত থাকে এতে
করে মাসলে টান পড়ে এবং ব্যাথা
শুরু হয়।
যখনি আপনার প্রয়োজনীয় ভারী
ব্যাগ উঠাতে যাবেন তখন অবশ্যই
ধীরে সুস্থ্যে দু হাতে নিয়ে
কম্পোর্টেবলি উঠান। সতর্ক থাকুন
যাতে ঘাড়ে বা কাধে টান না
পড়ে। এই ক্ষেত্রে আপনি ব্যাকপ্যাক
ব্যাবহার করতে পারেন তাহলে পুরো
ওজন পুরো ঘাড় ব্যাপি সমান ভাবে
বহন করে।
৭. সঠিক অঙ্গভঙ্গি
মেইনটেইন করুন উল্টাপাল্টা অঙ্গভঙ্গির ফলেও নেক পেইন বা ঘাড়ের ব্যাথা হতে পারে। এতে করে মাসল এবং
লিগামেন্টে টান পড়ে যা ঘাড়কে
সাপোর্ট দেয়। যার ফলে ঘাড়ের
ব্যাথা সৃষ্টি হয়।
দেখা যায় আমরা মাঝে মাঝে
মাথা এবং কাধকে এমন ভাবে
নাড়াচাড়া করি যার জন্য এই ধরনের
সমস্যা হয়।
আশা করি এই উপায় গুলো অবলম্বন
করলে আপনি ঘাড়ের ব্যাথা হওয়া
থেকে নিমিষেই মুক্তি পাবেন।
আপনার যদি ঘাড়ের ব্যাথা সমস্যা
ভালো না হয় বা আপনি ঘাড়ের
ব্যাথায় আক্রান্ত হন তাহলে অবশ্যই
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 comments:

ব্রনের কালো দাগ দূর করুন

নারী এবং পুরুষ উভয়েই ব্রণের সমস্যায় পরে থাকেন। ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পেলেও ত্বকে রয়ে যায় ব্রণের দাগ। জেনে নেই ব্রনের কালো দাগ দূর করার উপায়ঃ
হরমোনের সমস্যা, বিরূপ আবহাওয়া, ধুলোবালি, রোদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মদ্যপান ইত্যাদি কারণে ব্রণের সমস্যা শুরু হয়।সমস্যা হলো ব্রণের হাত থেকে মুক্তি পেলেও ত্বকে রয়ে যায় ব্রণের বিশ্রী দাগ। এই দাগ খুবই অস্বস্তিকর।ব্রণের বিশ্রী দাগ মুখের সৌন্দর্যটাই নষ্ট করে দেয়। অনেক নামি দামী প্রোডাক্টও ব্রণের এই দাগ সারিয়ে তুলতে সক্ষম হয় না। প্রাকৃতিক উপায়ে খুব সহজে ব্রণের এই অস্বস্তিকর বিশ্রী দাগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। দেখে নেয়া যাক ব্রণের বিশ্রী দাগ থেকে মুক্তির খুব সহজ প্রাকৃতিক উপায়গুলো:

লেবুর রস
লেবুর রসের অ্যাসিটিক এসিড ত্বকের ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম। এছাড়া লেবুর রস ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করে ব্রণের উপদ্রব থেকে বাঁচায়। প্রতিদিন লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে তুলোর বল ভিজিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২ ঘণ্টা। ব্রণ ও ব্রণের দাগ থেকে রেহাই পাবেন।

মধু
মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান, যা ভেতর থেকে এই সমস্যার সমাধান করে। মধু হাতের তালুতে নিয়ে মুখে প্রতিদিন ম্যাসেজ করলে এবং প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ মধু খেলে খুব দ্রুত ব্রণ ও ব্রণের দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এছাড়া মধুর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে তা ব্রণের দাগ ত্বক থেকে দূর করতে বিশেষ কার্যকর

0 comments:

আয়ু বাড়ান ব্যায়াম করে

ব্যায়াম করলে আয়ু বাড়ে

নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর ফিট থাকে, নানা রোগে ভোগার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, ওজন কমিয়ে নিজেকে আকর্ষণীয় করাসহ আরও অনেক তথ্যই আমদের জানা।

কিন্তু এবার নতুন এক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, নিয়মিত ব্যায়াম করে আয়ু বাড়ানো যায় অনেকটা সময়। পিএলও মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদন জানিয়েছে, এক সপ্তাহে মাত্র ১৫০ মিনিটের শারীরিক ব্যায়াম আপনার আয়ুকে বাড়িয়ে দিতে পারে তিন বছর চার মাস পর্যন্ত।
গবেষণাটি ৬ লাখ ৫০ হাজার লোকের ওপর চালানো হয়। যে ব্যায়ামে দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস হয় এবং
হৃদস্পন্দন অনেক বেড়ে যায় যেমন- টেনিস প্রতিযোগিতা,অ্যারোবিকস, দৌড়ানো ইত্যাদিতেঅভস্ত, তাদের ৩০ শতাংশ আয়ু বাড়ে।
এসব ব্যায়ামে শরীরের ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে, অলসতা দূর হয়, দেহ থেকে রোগের বাসা উচ্ছেদ করে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে। আর তাই
স্বাভাবিক ভাবেই আপনার আয়ু
বেড়ে যায়। নিয়ম মেনে ব্যায়াম করলে তার
উপকারিতা সব বয়সের নারী এবং
পুরুষের মধ্যে দেখা যায়। ব্যায়ামের
আগে নিজেকে তৈরি করে নেয়ার
বিষয়টি সব সময় খেয়াল রাখতে হবে।
গবেষকরা আরও বলেন, আয়ু রক্ষা আবার প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে
খাদ্যাভ্যাস, বয়স, অ্যালকোহল সেবন
এবং ক্রনিক রোগের ওপর। তাই এসব
বিষয়েও সাবধান থাকা জরুরি।
যদি শরীরের ওজন অনাকাঙ্ক্ষিত
ভাবে বেড়ে যায় বা কাজে
অনুপযোগী হয়ে পড়েন তবে তা অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। দীর্ঘদিন কর্মক্ষম
থাকতে, শারীরিক নানা ক্ষত থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন।গবেষকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়ামের একটি ভালো পদ্ধতি হল, যেকোনো খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকা।

0 comments:

বাড়তি ওজন সাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি

বাড়তি ওজনের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক। ওজন কমাতে হলে প্রয়োজন অসীম ধৈর্যের, সাথে সাথে প্রয়োজন কিছু অভ্যাস বাদ দেওয়া। জেনে নেয়া যাক উপায় গুলোঃ
১। নিজের কিছু অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। তার মধ্যে প্রথম কাজই হল জুস, কোল্ড ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস বাদ দেওয়া। প্রচুর পানি পান করুন। পানি আপনার শরীরের ভেতরটা সতেজ রাখবে।

২। বাইরের খাবার বাদ দিন এবং বাসার খাবারে অভ্যস্ত হোন। এতে আপনার দেহ প্রয়োজন অনুযায়ী চর্বি, চিনি এবং লবণ পাবেন।

৩। প্রচুর পরিমাণে সালাদ খান। অনেক ধরণের ফল একসাথে মিশিয়ে কিংবা শীতের কিছু সবজি হালকা ভাপ দিয়ে সালাদ বানিয়ে নিন। খেতেও ভালো লাগবে এবং ওজন ঠিক থাকবে।

৪। ওজন কমানোর জন্য যে জিমেই যেতে হবে এমন কোন কথা নেই। নিজ বাসাতেই ব্যায়াম করার সুঅভ্যাস গড়ে তুলুন। আর যদি জিমে যেতেই হয় নিয়মিত যাওয়া উচিৎ।

৫। খাওয়ার সময় কিছুটা কিপটে হয়ে যান। মানে খাওয়ার সময় ছোট প্লেটে খাবার খান। তাহলে বেশি খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

৬। হাঁটাহাঁটি করার একটি সুঅভ্যাস গড়ে তুলুন। কোন জায়গায় যেতে গেলে খুব কাছে রাস্তা হলে হেঁটেই যাতায়াত করুন

0 comments: